প্রাণের অসাধারণ অভিযোজন: স্নোফক্সের গল্প
উত্তরের বরফাক্ত প্রান্তরে, যেখানে তাপমাত্রা মাইনাসের সীমানায় তারা নেমে যায়, সেখানে স্নোফক্স, বা আর্কটিক ফক্স, বেঁচে থাকার এক অনন্য প্রদর্শনী উপস্থাপন করে। তাদের মোটা ও ঘন পশম, যা সাদা ও ধূসর রঙের সংমিশ্রণে বিচরণ করে, এই শীতল পরিবেশে এক অসাধারণ উন্নতির গল্প বলছে। স্নোফক্সের শরীরে ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক ও অন্যান্য প্যাথোজেনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা থাকতে দেখা যায়, যা তাদের বেঁচে থাকার ক্ষেত্রে অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।
এদের খাদ্যসংগ্রহের আচরণ একইভাবে মজার। শীতকালে তারা মুন্ডনের কাছ দিয়ে স্কোয়ারের উপরে প্রান্ত দেখাতে ব্যবহার করে। তাইও, বরফের নিচে চাপা পড়া খাবার খুঁজে পেতে তারা প্রায় ৩০ সেন্টিমিটার গভীরতায় গিয়ে খাদ্যের ঝারপা করে। এসব সক্ষমতা কেবল বেঁচে থাকার জন্য নয়, বরং প্রাকৃতিক নির্বাচনের একটি চমৎকার উদাহরণ।
স্নোফক্সের এই অভিযোজন শুধু শীতল আবহাওয়ার প্রভাবের কারণে নয়, বরং তাদের সামাজিক জীবনের সমন্বয়ের কারণেও সৃষ্ট। তারা সাধারণত ছোট দলে চার থেকে আটটি সদস্য নিয়ে বসবাস করে, যা তাদের খাবারের সন্ধানে একসাথে কাজ করতে সক্ষম করে। এই সহযোগিতার মাধ্যমে তারা শক্তিশালী প্রতিপক্ষদের মোকাবিলা করতে পারে।
তারা সাধারণত বছরের ২৫-৩০ দিনের মধ্যে প্রজনন করে, এবং শিশুরা গ্রীষ্মে দুই বা তিন সপ্তাহের মধ্যে উচ্চারণ করে। চৌকস ও অদ্ভুত দৈহিক গঠনকে কেন্দ্র করে এই প্রাণীটা আমাদের জন্য বিশ্বের সৌন্দর্য এবং বৈচিত্র্য সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ পাঠ। তাই, পরবর্তী বার যখন কেউ আর্কটিক অঞ্চলে যেতে পারে, মনে রাখবেন, যে ওই একটি স্নোফক্সের জীবন এক অসাধারণ বৈজ্ঞানিক ও সামাজিক আচরণের উদাহরণ। এই জাতীয় বন্য প্রাণীর মৃত্যুহার প্রায় ২-৩ শতাংশ, যা তাদের অবিচলিত অগ্রগতির কথা বলে।